Type Here to Get Search Results !

CAA-র সুফল! মোদীকে 'বিশ্বের প্রধানমন্ত্রী' তকমা কাবুল ফেরত হিন্দু-শিখদের

CAA-র সুফল! মোদীকে 'বিশ্বের প্রধানমন্ত্রী' তকমা কাবুল ফেরত হিন্দু-শিখদের
আফগান হিন্দু ও শিখদের মুখোমুখি হয়ে 'সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন' (Citizenship Amendment Act) অর্থাৎ CAA-র 'প্রয়োজনীয়তা'গুলি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তাঁর সামনে নয়া আইনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভিনদেশি অতিথিরাও। ভারতে এমন একটি প্রণয়নের জন্য মোদীকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাতেও ভুললেন না তাঁরা।

শনিবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন আফগানিস্তানের প্রতিনিধিরা। এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা শিখ ও হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত। ভারতে তাঁদের সকলকে স্বাগত জানান মোদী। অন্যদিকে, আফগানিস্তান থেকে হিন্দু ও শিখদের নিরাপদে ভারতে নিয়ে আসার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানান অতিথিরা। পরে এই সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (PMO) পক্ষ থেকে বলা হয়, "প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি দলের সকলকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি তাঁদের বলেন, এদেশে তাঁরা কেউ অতিথি নন। আসলে, তাঁরা তাঁদের নিজেদের বাড়িতেই এসেছেন। আফগানিস্তানে তাঁদের যে প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। আফগান হিন্দু ও শিখদের নিরাপদে ভারতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সরকারের তরফে সবরকম সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।"

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের এই সাক্ষাতে আফগান শিখ এবং হিন্দুদের সঙ্গে CAA প্রসঙ্গে নানা আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষত, এই আইনের প্রয়োজনীয়তা এবং তার সুফলগুলি তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতে এই আইন প্রণয়নের ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সংখ্যালঘুরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রতিনিধি দলের এক সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, "একমাত্র আপনিই ভারতীয়দের, শিখদের যন্ত্রণা বোঝেন। যখনই কোনও সমস্যা হয়, আমি তখনই আপনাকে সামনে দেখতে পাই।" মোদী যেভাবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি থেকে সংখ্যালঘুদের ভারতে আসার এবং তাঁদের ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তার জন্যও তাঁর প্রশংসা করেন অতিথিরা।

পরে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, "নরেন্দ্র মোদী শুধুমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি গোটা বিশ্বের প্রধানমন্ত্রী।" একমাত্র তিনিই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলি বোঝেন বলেও ওই প্রেস বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। এমনকী, বিশ্বের অন্যান্য দেশে বসবাসকারী হিন্দু ও শিখদের প্রতিও তিনি যেভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন অতিথিরা।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.