Type Here to Get Search Results !

কেন বাওবাব বা আদানসোনিয়া গাছের ফলকে ‘বাঁদরের পাউরুটি’ বলে, জানেন?

কেন বাওবাব বা আদানসোনিয়া গাছের ফলকে ‘বাঁদরের পাউরুটি’ বলে, জানেন?
শিরোনাম পড়ে মনে খটকা লাগল? লাগতেই পারে। একে খটোমটো গাছের নাম। তার ওপর আবার ফলের নাম বাঁদরের পাউরুটি। শনিবারের মজলিশি সন্ধেয় এমন খবর চোখে পড়লে থমকানোই স্বাভাবিক। যাঁদের কৌতূহল বেশি, তাঁরা এতক্ষণে নিশ্চয়ই উইকিপিডিয়া ঘাঁটতে শুরু করেছেন? এবং দেখতে পেয়েছেন তো, ওখানে বড় বড় করে লেখা বাওবাব গাছের (Baobab Trees) ফল ‘Monkey Bread'? একদম অদ্ভুত ধরনের এই গাছ সম্বন্ধে এবার জেনে নিন এরকমই অজানা কিছু তথ্য----

তালগাছের মতোই খাড়া, লম্বা এই গাছ উচ্চতায় ৫ থেকে ৩০ মিটার। দেখে মনে হতেই পারে যেন একপায়ে দাঁড়িয়ে। নয়টি প্রজাতির এই গাছের মধ্যে ৬টি প্রজাতিকে দেখা যায় মাদাগাস্কায়। দুটি গাছের দেখা মেলে আফ্রিকা আর আরবে। বাকি একটি অস্ট্রেলিয়ায়।
খুব কর্কশ, রুক্ষ মাটিতেও এই গাছ দিব্য জন্মায়, বাড়ে এবং ফল-ফুল ধরে। এবং এরা দীর্ঘজীবী। এক একটি গাছের বয়স কম করে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার বয়স। এই গাছের গুঁড়ি এতটাই লম্বা যে এতে প্রায় ৩২ হাজার গ্যালন জল ধরে। সেই কারণেই এরা রুক্ষ মাটিতে খুবই সতেজ থাকে। এবং দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে অনায়াসে।

এই গাছের ছাল নরম, তন্তুযুক্ত এবং আগুন প্রতিরোধী হওয়ায় এই বাকল দিয়ে কাপড় এবং দড়ি তৈরি হয়। 

গাছের পাতা সবুজ এবং চকচকে। এবং এতে প্রোটিন, খনিজ এবং ভিটামিন এ আর সি প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফলে, মশলা এবং ওষুধ হিসাবে এই গাছের পাতার ব্যবহৃত পুরাণ থেকে হয়ে আসছে।
গ্রীষ্মের গোড়ার দিকে গাছে খুব বড়, সাদা ফুল দেখা দেয়।। এগুলি বিকেলে পাপড়ি মেলে। সারা রাত ফুটে থাকার পর সকালে এরা ঘুমিয়ে পড়ে মাটির বুকে। সেই সময় ভীষণ মিষ্টি গন্ধ বের হয়। গাছের ফলগুলিও বড় আকারের। একেকটির ওজন প্রায় দেড় কেজি। দেখতে অনেকটা নারকেলের মতো। এই ফল নাকি বাঁদরেরা খুব তৃপ্তি করে খায়। তাই এই ফলের আরেক নাম ‘Monkey Bread'।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.