লেগে গিয়েছে যুদ্ধ (Russia-Ukraine Conflict)। কিয়েভের আকাশে গোলাবর্ষণ শুরু রুশ (Russia) বিমানের। পালটা জবাব দিয়েছে ইউক্রেনও (Ukraine)। আর এই পরিস্থিতিতে মস্কোয় পাক (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। দু’দিনের রাশিয়া সফরে এসে ইমরান কার্যত উচ্ছ্বসিত।
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গিয়েছে মস্কো বিমানবন্দরে রুশ প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাঁটছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”উফ! কী সময়ে এসেছি! এত উত্তেজনা।” তাঁকে হাসিখুশি ফুরফুরে মেজাজেই দেখা গিয়েছে। গুঞ্জন, রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার পরেই সেদেশে পৌঁছেছেন তিনি।
গত দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম কোন পাক প্রধানমন্ত্রী রাশিয়া সফরে এসেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর সফরের দিকে নজর রয়েছে বিশ্বের। ইতিমধ্যেই আমেরিকা কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। জানিয়েছে, যে কোনও ‘দায়িত্বশীল’ দেশেরই উচিত ইউক্রেন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার আচরণের নিন্দা করা। আসলে ‘সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছরে চাপ বাড়িয়ে চলেছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে তাদের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ রাশিয়ায় ইমরানের আগমন ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আশঙ্কা বাড়ছিল। অবশেষে সেটাই সত্যি করে বৃহস্পতিবার সামরিক অভিযানের ঘোষণা করে দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এদিকে এদিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণার পাশাপাশি জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার এই অভিযানের বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করবে মস্কো। মূলত ইউক্রেনের পূর্বে থাকা বিদ্রোহীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি পুতিনের।
অন্যদিকে কিয়েভের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বাইডেন জানাচ্ছেন, ”গোটা বিশ্ব মধ্যরাতের এই হামলার পরে ইউক্রেনের জন্য প্রার্থনা করবে। একেবারেই অকারণে ও অনুচিত ভাবে এই হামলা করা হল। পূর্বপরিকল্পিত ভাবে এই লড়াই শুরু করে অগণিত মানুষের প্রাণের ক্ষতি ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠলেন পুতিন।”