Type Here to Get Search Results !

আমেরিকার নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ বাইডেনের

আমেরিকার নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ বাইডেনের

আমেরিকার নাগরিক যাঁরা এই মুহূর্তে ইউক্রেনে বসবাস করছেন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। তবে কি যুদ্ধের পরিস্থিতি? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? জানুন বিস্তারিত…


ইউক্রেন সীমান্তে সেনা পাঠিয়েছিল রাশিয়া। আমেরিকার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনার পরেও সেনা পিছু না হঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বাইডেনের একটি মন্তব্যে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। NBC নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডো বাইজেন জানিয়েছেন, ইউক্রেনে বসবাসকারী আমেরিকার নাগরিকদের অবিলম্বে ওই দেশ ছেড়ে চলে আসা উচিত।

ঠিক কী বলেছেন তিনি?

বাইডেন বলেছেন, "আমরা বিশ্বের বৃহত্তম সেনাবাহিনীর সঙ্গে মোকাবিলা করছি। অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। আমেরিকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে ইউক্রেন ছাড়া উচিত।" কোনও অবস্থাতেই ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে নারাজ তিনি, তা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাইডেন। এমনকী, ইউক্রেনে বসবাসকারী নিজের দেশের নাগরিকদের উদ্ধারের জন্যও সেনার সাহায্য নয়, তা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

বাইডেন বলেন, "যদি আমেরিকা এবং রাশিয়ার সেনারা একে অপরকে গুলি করে তাহলে এক অন্য পৃথিবী দেখব আমরা।" বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে 'বিশ্বযুদ্ধ' শব্দটি ব্যবহার করেন তিনি। প্রসঙ্গত, রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ নিয়েছিল তুরস্ক। এমনকী, ইউক্রেনের রাজধানী কিইভে গিয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরডোয়ান। ইউক্রেন এবং রাশিয়ার যদি যুদ্ধ হয় সেক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে তুরস্কেও। এতদিন পর্যন্ত তুরস্ক বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অবশ্য রাশিয়ার পাশে থেকেছে। ফলে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের পক্ষে কোনও একটি পক্ষে থাকা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু, তুরস্কের হস্তক্ষেপেও সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রতি পুতিন জানিয়েছেন ইউক্রেনে আক্রমণ করবে না রাশিয়া। সেক্ষেত্রে কেন ইউক্রেন সীমান্তে দেড় লাখ সেনা পাঠানো হল? এই প্রসঙ্গে অবশ্য স্পষ্ট করে কোনও উত্তর দেননি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এই রাষ্ট্রনেতা। ফলে ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়া এবং আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে বলে মতামত কুটনৈতিক মহলের।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনের সাহায্যের জন্য ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্যের প্রস্তুতি দিয়েছিল বাইডেন সরকার। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সপ্তম দফার সহযোগিতাও পাঠিয়েছিল ওয়াশিংটন। ফলে একপ্রকার ‘ঠান্ডা লড়াই’-এর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সার্বিক প্রেক্ষাপটে বাইডেনের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.