কাবুল বিমানবন্দরে (Hamid Karzai International Airport) আত্মঘাতী হামলায় মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। যাদের মধ্যে ১৩ জন মার্কিন সেনাও রয়েছেন। হামলার দায় শিকার করেছে ইসলামিক স্টেটের (IS) শাখা সংগঠন আইএসআইএস-খোরাসান (ISIS-K)। কার নির্দেশে এই হামলা? সাম্প্রতিক গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য়।
জানা গিয়েছে, Hamid Karzai International Airport-এ আত্মঘাতী হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হয়েছিল রাওয়ালপিণ্ডিতে ISI-এর সদর দফতরে। পাক গোয়েন্দা সংস্থার মদতেই জনবহুল বিমানবন্দরে হামলা চালায় আইএস-এর ওই শাখা। কেন এই হামলা? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পিছনে রয়েছে রাওয়ালপিণ্ডির শক্তি প্রদর্শনের প্রবণতা।
সূত্রের খবর, তালিবান (Taliban) আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরেই তৎপর হন মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা CIA-র প্রধান উইলিয়াম বার্নস। তিনি নাকি সকলের অগোচরে তালিবানদের শীর্ষ নেতা মোল্লা আব্দুল গনি বরাদরের (Mullah Abdul Ghani Baradar) সঙ্গে মিটিংও করেছেন। আর মার্কিন প্রশাসনের এই ভূমিকায় চেয়েছে ISI। গুরুত্ব কমে যাওয়ার ভীতিতেই IS-K-র সাহায্যে কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে রাওয়ালপিণ্ডি।
তালিবানরা আফগানিস্তানের (Afghanistan) দখল নেওয়ার পর কেটে গিয়েছে ১৫ দিন। তবে একবারও তালিবানদের (Taliban) 'সুপ্রিম লিডার' হাইবাতুল্লা আখুন্দজাদা (Haibatullah Akhundzada) দেখা মেলেনি। কোথায় তিনি? সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছে হাইবাতুল্লার অবস্থান সম্পর্কে গোপন তথ্য়। গোয়েন্দা সূতে খবর, বর্তমানে পাক সেনার হেফাজতে রয়েছে তালিবান প্রধান হাইবাতুল্লা আখুন্দজাদা (Haibatullah Akhundzada)। পাক সেনার নিশ্চিন্তের নিরাপত্তায় আত্মগোপন করে রয়েছে এই জঙ্গি নেতা।