অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়, কেন এমন মত শাহরুখের?
দুজনেই সুপারস্টার। একজন রোমান্স কিং। অন্যজন অ্যাকশন থেকে কমেডি- সব জঁরেই বাজিমাত করেন। শাহরুখ খান এবং অক্ষয় কুমার। যে কোনও প্রযোজকই চাইবেন, দুই সুপারস্টারকে একসঙ্গে কাস্ট করতে। মালিস্টারার সে ছবি যে ধামাকাদার হবে, সে তো জানা কথাই।
কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যায়, বলিউড সেভাবে এই ধামাকার দিকে ঝোঁকেনি। সেই অনেকদিন আগে, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তারপর এখানে ওখানে ক্যামিও বা অ্যাওয়ার্ড শো-তে দুজনের পারফরম্যান্স হয়তো দেখা গিয়েছে। কেমিস্ট্রিও ধরা পড়েছে। কিন্তু দুই সুপারস্টারকে সেভাবে পাশাপাশি ছবিতে আর দেখা যায়নি।
কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যায়, বলিউড সেভাবে এই ধামাকার দিকে ঝোঁকেনি। সেই অনেকদিন আগে, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তারপর এখানে ওখানে ক্যামিও বা অ্যাওয়ার্ড শো-তে দুজনের পারফরম্যান্স হয়তো দেখা গিয়েছে। কেমিস্ট্রিও ধরা পড়েছে। কিন্তু দুই সুপারস্টারকে সেভাবে পাশাপাশি ছবিতে আর দেখা যায়নি।
অথচ দুজনেই ছবি করছেন চুটিয়ে। শাহরুখ ইদানীং একটু ছবি কম করেন বটে। কিন্তু অক্ষয়ের জুড়ি মেলা ভার। ‘বেবি’ থেকে ‘বেলবটমস’- অক্ষয়ের রথ যেন গড়িয়ে চলেছে তরতরিয়ে। বলিপাড়ায় অনেকেই বলেন, অক্ষয় কুমার যে হারে কাজ করতে পারেন, তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ভার।
আর গোলমালটা ঠিক এখানেই। শাহরুখের সঙ্গে তাঁর কাজ না হওয়ার মূল কারণ এখানেই লুকিয়ে। অক্ষয় মারাত্মক ফিটনেস ফ্রিক। নিজেকে সুস্থ রাখতে যারপরনাই নিয়ম মেনে চলেন। লেট নাইট পার্টি থেকে নেশা –সবকিছু থেকে তিনি শত যোজন দূরে। তাঁর জীবনযাপনের ধরনও একদম আলাদা। অক্ষয়ের নায়িকারাও তাই মৃদু অনুযোগের সুরে বলেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করা মানে রাত থাকতে উঠে পড়া। শ্যুট জলদি শেষ করা। আর তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া। বছরের পর বছর এটাই অক্ষয়ের রুটিন। আর এখানে একচুল এদিক ওদিক পছন্দ করেন না সুপারস্টার। যখন যে ছবিই করেন, শুটিং ইউনিটকে মেনে চলতে হয় অক্ষয়ের এই রুটিন।
অন্যদিকে বলিপাড়া চলে যেন ঠিক এর উলটো নিয়মে।
অন্যদিকে বলিপাড়া চলে যেন ঠিক এর উলটো নিয়মে।