ভারত: ২৫৮/৪ (গিল-৫২, শ্রেয়স-৭৫*)
নিউজিল্যান্ড:
প্রথম দিনের খেলা শেষ
খেলায় চোট-আঘাতের গল্প নতুন কিছু নয়। কিন্তু গুরুতর চোট সারিয়ে টেস্টে অভিষেক ঘটানো নিঃসন্দেহে কোনও ক্রিকেটারের বড় সাফল্য। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টে তাই আপামর ভারতবাসীর মন জয় করে নিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কেরিয়ারের প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে দলকে শুরুতেই বসিয়ে দিলেন চালকের আসনে।
💯 - run partnership comes up between @ShreyasIyer15 & @imjadeja 💪💪
— BCCI (@BCCI) November 25, 2021
Live - https://t.co/9kh8Df6cv9 #INDvNZ @Paytm pic.twitter.com/jowlva50Go
কানপুরের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। যে সিদ্ধান্তকে পুরোদস্তুর কাজে লাগাতে সফল ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। কেএল রাহুল ও রোহিত শর্মা না থাকায় এদিন ময়ঙ্ককে সঙ্গী করে ওপেন করেন শুভমন গিল। শুরুতে ময়ঙ্ক আগরওয়ালের উইকেট তুলে নিয়ে কেইল জেমিসন টপ-অর্ডারে ধাক্কা দিলেও সে ধাক্কা সামলেও নেন সতীর্থরা। চেনা ছন্দে দেখা মেলে গিলের। হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। তবে এদিন আবার ব্যর্থ আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান চেতেশ্বর পূজারা। বেশ খানিকটা সময় জমি আঁকড়ে পড়ে থাকলেও স্কোরবোর্ডে বেশি রান যোগ করতে পারলেন না তিনি। ২৬ রানে তাঁকে প্যালিভিয়ানে ফেরান টিম সাউদি।
অভিষেক টেস্টে শ্রেয়স কী করেন, সে দিকে নজর ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। প্রত্যাশার থেকেও যেন বেশি কিছু মিলল। টেস্টে তারুণ্যের ঔজ্জ্বল্য নিঃসন্দেহে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত ভাল পোস্টার। তরুণ ব্রিগেডে ভর করেই অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয় এসেছিল ভারতের। দেশের মাটিতে টেস্ট ফিরতে তারই যেন পুনরাবৃত্তি ঘটল। গিল, শ্রেয়সদের ভিত তৈরি করে দেওয়া রাহুল দ্রাবিড়কে আজ নিশ্চিতভাবে তৃপ্তি দেবে।