ভারত বিশ্বের ঔষধালয় তথা ফার্মেসিতে পরিণত হচ্ছে। গত ৭৫ বছরের ইতিহাসে যা ভারতের অন্যতম বড় কৃতিত্ব। এমনই দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথা WHO’র শীর্ষ বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথনের।
একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠান, ‘সুস্থ ভারত, সম্পন্ন ভারত’ টেলিথনের মঞ্চে স্বামীনাথন (Soumya Swaminathan), স্বাস্থ্যখাতে ভারতের চারটি বড় কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে দেশ থেকে পোলিও দূরীকরণ এবং আরও কিছু টিকায় আরোগ্য সম্ভব-এমন রোগের দূরীকরণ, শিশু ও প্রসূতি মৃত্যুহার হ্রাস, ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ’ প্রমুখ। আর এই সমস্ত কৃতিত্বের দৌলতেই ভারত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের ঔষধের ভাণ্ডার তথা ফার্মেসিতে পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
যদিও এর মধ্যেও হু-র শীর্ষ বিজ্ঞানী এই কথা উল্লেখ করতে ভোলেননি যে, কোভিড (COVID-19) অতিমারী বিশ্বের প্রতিটি দেশেই, জরুরিকালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতে বড়সড় প্রভাব ফেলেছে। আর এই সমস্ত দেশের মধ্যে ভারতও রয়েছে। যক্ষা রোগের চিকিৎসা, শিশুদের চিকিৎসা পরিষেবায় বিশেষ করে এর প্রভাব পড়েছে বলেই জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বের অন্য প্রান্তের মতো ভারতেও যে সংক্রামক রোগের টিকাকরণে সমস্যা হয়েছে, সেটাও স্বীকার করেছেন তিনি। তবে, সার্বিকভাবে ভারত যে গত ৭০ বছরে গোটা বিশ্বের মধ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রথম সারিতে, তা একপ্রকার মেনে নিয়েছেন সৌম্যা স্বামীনাথন।
বস্তুত, ভারত এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী দেশ। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত বিভিন্ন রোগের টিকা ভারত থেকেই সরবরাহ করা হয়। করোনা মহামারীর শুরুতেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রতিশ্রুতি মতো বিশ্বের বহু দেশকে ওষুধপত্র এবং করোনা চিকিৎসার অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছে ভারত সরকার। এমনকী, করোনার টিকাও রপ্তানি করেছে এদেশ। সার্বিকভাবে গোটা বিশ্বকে করোনার সময় সাহায্য করেছে ভারত।